| ঢাকা
নিউজ.জংশন
বিজ্ঞাপন
যেকোন ধরনের ওয়েব সাইট, ওয়েব এপ, বা সফটঅয়ার এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন SYED CREATIONS এ। এক যায়গায় পাবেন সকল সমাধান। ফ্রী পরামর্শের জন্য কল দিন: ০১৮৩৭৫২২৯০২ নাম্বারে।
সারাদেশ

নবীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ বালু ও টিলা কাটার অভিযোগ, আলোচনায় কাসিম

সরকারি জমি থেকে বালু উত্তোলন ও জব্দ বালু সরিয়ে বিক্রির অভিযোগ, স্থানীয়দের প্রশ্ন প্রভাবশালীদের ভূমিকা নিয়ে

Reporter
নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
আপডেট: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০০ পিএম ৪৭ বার পঠিত
শেয়ার:
নবীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ বালু ও টিলা কাটার অভিযোগ, আলোচনায় কাসিম
০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালের ফাইল ছবি | ছবি: ছবিঃ সংগৃহীত

নবীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন, টিলা কাটা ও লাল মাটি বিক্রিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়ভাবে আলোচিত ব্যক্তি শাহ কাসিম আহমেদ ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে কাসিম ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড়ি এলাকায় গাছ চুরি, টিলা কেটে লাল মাটি বিক্রি এবং সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে একটি চক্র জড়িত। সম্প্রতি সরকারিভাবে জব্দ করা বালু বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে অন্যত্র সরিয়ে বিক্রিরও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, কার প্রভাবে এসব কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের পানিউমদা বাজারের কাছে ঘুঙ্গিয়াজুড়ি হাওরের খাস জায়গা থেকে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে একটি চক্র তা বিভিন্ন স্থানে জমা করে আসছিল।

গত ৩ আগস্ট বিষয়টি জানতে স্থানীয় সাংবাদিকরা সেখানে গেলে তাদের বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলার চেষ্টা করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে।

এদিকে একই দিন পানিউমদা বাজারের কাছে কথিত অবৈধ বালুমহালে অভিযান পরিচালনা করেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন। অভিযানে শাহ কাসিম আহমেদসহ সংশ্লিষ্টদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানা গেছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি জায়গায় মজুত করা বালু জব্দ না করায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে জরিমানা করা হলে মজুত করা বালু কেন জব্দ করা হয়নি, সেটিও তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, কাসিম আহমেদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও হামলাসহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।

স্থানীয় এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, কাসিমের কথিত মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় সাতনাইল এলাকায় এক ব্যক্তির ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। তবে এ অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

স্থানীয়দের দাবি, পাহাড়ি এলাকার পরিবেশ ও সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন, টিলা কাটা এবং মাটি বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের আরও কঠোর ও নিয়মিত অভিযান প্রয়োজন। একই সঙ্গে জব্দ করা বালু সরিয়ে নেওয়া বা বিক্রির অভিযোগও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।


সম্পর্কিত খবর

SYED CREATIONS

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট, ওয়েব অ্যাপ বা সফটওয়্যারের জন্য আজই যোগাযোগ করুন। এক জায়গায় পাবেন সকল সমাধান!

০১৮৩৭৫২২৯০২